Home 20 দেশের খবর 20 সব দলের অংশগ্রহণই দিতে পারে সুষ্ঠু ভোটের গ্যারান্টি

সব দলের অংশগ্রহণই দিতে পারে সুষ্ঠু ভোটের গ্যারান্টি

ঢাকায় এক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা বলেছেন, গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখা এবং উন্নয়নের গতি ধরে রাখতে হলে আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। আর বিএনপিসহ সকল দলকে নির্বাচনে নিয়ে আসার মূল দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের (ইসি)। সব দল এলে এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হলে সেটিই হতে পারে সুষ্ঠু নির্বাচনের গ্যারান্টি (নিশ্চয়তা)। গতকাল শনিবার রাজধানীর গুলশানে লেকশোর হোটেলে এই আলোচনার আয়োজন করে ‘ইনস্টিটিউট অব কনফ্লিক্ট, ল’ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (আইসিএলএডিএস-আইক্ল্যাডস)।

সাবেক রাষ্ট্রদূত ও আইক্ল্যাডসের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ জমিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন টিভি টকশো সঞ্চালক মিথিলা ফারজানা। ‘রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন’ শিরোনামের অনুষ্ঠানটি বেসরকারি একাধিক টিভি চ্যানেল সরাসরি সম্প্রচার করে। আলোচনায় বেশিরভাগ বক্তা বলেন, অনির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় আর ফিরে যাওয়া ঠিক হবে না। একইসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিই যেন রাজনৈতিক ও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে, সেটি নিশ্চিত করার উপরও জোর দেন।

গোলটেবিল আলোচনায় ইতিহাসবিদ সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে ব্যাকরণ দারুণভাবে অনুপস্থিত। ব্যাকরণসম্মত রাজনীতি থাকলে সেটির অনিবার্য পরিণতি হতো সুষ্ঠু নির্বাচন। দশম সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়নি বলেই আমরা একাদশ নির্বাচনটি অংশগ্রহণমূলক করার বিষয়ে এতটা সোচ্চার। বলা যায়, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন এখন আমাদের জন্য কাঙ্ক্ষিত। রাজনৈতিক প্রক্রিয়া সুষ্ঠু থাকলেই কাঙ্ক্ষিত নির্বাচন সম্ভব হয়। সুতরাং রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রুটি আছে কি-না, আগে আমাদেরকে সেটি দেখতে হবে। তিনি বলেন, কাঙ্ক্ষিতমানের সুষ্ঠু নির্বাচনের পূর্বশর্ত হলো- রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য, সরকারের সহায়ক ভূমিকা, নির্বাচন কমিশনের নেতিবাচক ভূমিকা না থাকা, নাগরিক সমাজের কার্যকর ভূমিকা থাকা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকা নিশ্চিতকরণ, সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা এবং একটি জবাবদিহিমূলক জনপ্রশাসন থাকা।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক বলেন, শুধু নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে এখন বিতর্ক চলছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন নিয়ে সেভাবে তর্ক-বিতর্ক হচ্ছে না। পৃথিবীর বহু দেশেই নির্বাচনের সময় ইসিই থাকে মূলত শক্তিশালী সরকারের ভূমিকায়। ইসি চাইলেই অর্থবহ নির্বাচন সম্ভব। বিদেশি বিনিয়োগ আনার জন্যও আমাদের অর্থবহ নির্বাচন দরকার। তাছাড়া সুনির্দিষ্ট আরও অনেক বিষয়ে সুরাহা দরকার। একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবীর বলেন, গণতন্ত্রের কথা বলে আমরা অশুভ শক্তিকে প্রশ্রয় দিচ্ছি না সেটিও মনে রাখতে হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ বলেন, নির্বাচন কোনো ঘটনা নয়-এটা একটা প্রক্রিয়া। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হলে তৃতীয় শক্তির আবির্ভাব অনিবার্য হয়ে ওঠে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত বাংলাদেশের রাজনৈতিক দর্শন চেতনা আছে। সেখানে ঐকমত্য হবে না, অথচ আমাদের গণতান্ত্রিক মানসিকতার সুবাতাসের সুবিধা ভোগ করে নির্বাচনেও যাবে; তাহলে সামনের নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন অর রশীদ বলেন, রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন—এই দুটির একটার সঙ্গে আরেকটার ঘনিষ্ঠপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সবার অংশগ্রহণ জরুরি।

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রিয়াজউদ্দিন বক্তব্যে বলেন, প্রত্যেকবার নির্বাচনের আগেই নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে আলাপ করতে হয়। আমরা আসলে উপসংহারে পৌঁছাতে পারিনি। রাজনৈতিক দলগুলোকে বলা হয়েছিল এমন একটা পদ্ধতি উদ্ভাবন করতে যেন নির্বাচনের আগে এত কথা বলতে না হয়। কিন্তু এখন এই একটি জায়গাতেই আমাদের আলাপ আটকে থাকে।

সরকারের নিজের স্বার্থেই সক্রিয় বিরোধী দল প্রয়োজন বলে উল্লেখ করে ফেয়ার ইলেকশন মনিটরিং অ্যালায়েন্সের (ফেমা) প্রেসিডেন্ট মুনিরা খান বলেন, অনেক দেশে নির্বাচনে বিরোধী দলের ভালো প্রার্থী দাঁড়ালে তাকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। পর্যবেক্ষকদের প্রতি ইসির সতর্ক দৃষ্টি দেওয়া উচিত। কারণ জবাবদিহিমূলক সরকারে বড় ভূমিকা রাখেন পর্যবেক্ষকরা। শহীদসন্তান ডা. নূজহাত চৌধুরী বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাছে বিনীত আবেদন, আমরা গণতান্ত্রিক নিয়ম-নীতি চাই, সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চাই। সুশাসনের জন্য গণতন্ত্র থাকতে হবে। যুদ্ধাপরাধী বা সহায়ক কোনো দল  এদেশের মানুষের প্রতিনিধি হতে পারে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি একটা সময়ে সবার দাবি ছিল। তবে এর কুফলও আমরা পেয়েছি। আমরা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিতদের মাধ্যমে আরেকটি নির্বাচন দেখতে চাই।

অনুষ্ঠানের শুরুতে আইক্ল্যাডসের নির্বাহী পরিচালক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রশীদ বলেন, আগামী নির্বাচনে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সমুন্নত রেখে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ক্ষেত্র অনুসন্ধানের লক্ষ্যে এই গোলটেবিল বৈঠক।

এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, অনেকে বলেন-সংসদে নাকি ৫০ থেকে ৭০ পার্সেন্ট ব্যবসায়ী, কিন্তু এখন যে রাজনীতিবিদেরা ব্যবসায়ী হয়ে যাচ্ছেন আর ব্যবসা থেকে আমরা ব্যবসায়ীরা হারিয়ে যাচ্ছি-সেই কথা কেউ বলছেন না। তিনি বলেন, অর্থনীতির স্বার্থে এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে আমরা ব্যবসায়ী সমাজ একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যাশা করি। অতীতে যারা ভুল করেছিলেন তারা নির্বাচনে আসুন। এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক ও অভিনেত্রী শমী কায়সার বলেন, আমরা বাহাত্তরের সংবিধানে ফিরে যেতে চাই। এনিয়ে আলাদা করে আলোচনা জরুরি। চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী ও ধর্মের নামে রাজনীতির বিষয়ে আরো অনেক কঠোর হতে হবে। যারা বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ এগুলোকে ধারণ করে না তাদেরকে আমরা নির্বাচনে দেখতে চাই না।

মুহাম্মদ জমির বলেন, সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় একটি নির্বাচন সংঘটিত হলেও মানুষ বঞ্চিত হয় একটি অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন থেকে। সেজন্য একদিকে দেশকে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার বাইরে নিয়ে যাওয়ার ষড়যন্ত্র থেকে যেমন দেশকে মুক্ত করতে হবে, অন্যদিকে প্রতিযোগিতামূলক ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনও নিশ্চিত হতে হবে।

আয়োজক সংস্থা আইক্ল্যাডসের ভাইস-চেয়ারম্যান ও ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেন, যারা বাংলাদেশের অতীতে বিশ্বাস করে না তাদেরকে নির্বাচনের বাইরে রাখার ম্যাকানিজমের কথাও আজকের আলোচনায় অনেকে বললেন। নািস বাহিনীর সহযোগী দলগুলোকেও কিন্তু রাজনৈতিক ও নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তিনি বলেন, নির্বাচন হতে হবে সাংবিধানের আলোকে, এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আজমালুল হোসেন কিউসি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে আইনের কোনো কমতি নেই। ইসি স্বাধীন, সংবিধানে কমিশনকে অনেক ক্ষমতা দেওয়া আছে। নির্বাচনের সময় নির্বাহী ক্ষমতা ইসির হাতে দেওয়া উচিত।

দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সার্বজনীন অংশগ্রহণের মাধ্যমেই নির্বাচন সাবলীল থাকে। সবাই নির্বাচনে এলে নির্বাচন নিরপেক্ষ না হওয়ার কোনো কারণ থাকে না। নির্বাচন সুষ্ঠু করার দায়িত্ব ইসির, সেজন্য সংবিধানে ইসিকে পর্যাপ্ত ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে। এখন কথা হচ্ছে- কমিশনে কারা আছেন, তাদের ব্যক্তিত্ব একটা বড় বিষয়। কমিশনের ভূমিকাই বলে দেবে নির্বাচন কেমন হবে। সব দলকে নির্বাচনে নিয়ে আসার দায়িত্বও কিন্তু ইসির। ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেন, অনেকে বলছেন- বিএনপির পক্ষে আগামী নির্বাচন বর্জন করা অসম্ভব হবে। কিন্তু বিএনপিকে ছাড়া এ সরকারও আরেকটা নির্বাচন অ্যাফোর্ড করতে পারবে কি না সেটাও তো ভাবতে হবে। সুতরাং বিএনপিকে নির্বাচনে আনার দায়িত্ব সরকারেরই বেশি।

ব্যবসায়ী হেলাল উদ্দিন বলেন, এখানে আমরা যারা আলোচনা করছি সবাই একই ঘরানার। বিরোধী পক্ষের লোক থাকলে তাদের কথাও আমরা শুনতে পারতাম। ঐক্যের জন্য সবচেয়ে বড় দরকার আলোচনা। খুব সহসা ঐক্য হয়ে যাবে এমনটাও মনে করি না। দেশে এখন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আছে, যদিও কেউ কেউ বলে চেপে রাখা হয়েছে। স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে খামোস বলার মতো কেউ থাকা দরকার। সাবেক তথ্য কমিশনার সাদেক হালিম বলেন, যারা নির্বাচন করবেন তাদের দায়িত্বটাও ঠিক হওয়া দরকার। অশুভ ও অপশক্তিকে রোধ করতে হবে। আগামী নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণের আনুপাতিক হারের বিষয়েও দলগুলোকে ভাবতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জিনাত হুদা বলেন, নির্বাচন যারা বর্জন করে-সেই ভাসানী থেকে খালেদা জিয়া পর্যন্ত, সবাইকে আমার রাজনৈতিক অস্তিত্ব সংকটে পড়তে দেখেছি। আমরা কোন গণতন্ত্র চাই? আমরা কি অগ্নিসংযোগ আর পেট্রলবোমার গণতন্ত্র চাই? আমরা কি দেশকে জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্যে ফিরিয়ে নিতে চাই? ১/১১ এর সময় জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসা কথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমরা আর চাই না। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন হতে হবে।

নারী নেত্রী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রোকেয়া প্রাচী বলেন, গণতন্ত্র রক্ষার অজুহাতে রাজনৈতিক দলগুলো যখন সিন্ডিকেট পাওয়ারকে আমন্ত্রণ জানায় তখন আসলে দলগুলো নিজেরাই অরক্ষিত হয়ে পড়ে। দেশের জনগণও তখন অরক্ষিত হয়ে যায়। সিন্ডিকেট পাওয়ারকে আনার উদ্দেশে সহিংসতার মাধ্যমে পরিবেশ সৃষ্টি করা রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ। তিনি বলেন, আগুন-সন্ত্রাস ও নৃশংসতার কারণে নতুন প্রজন্ম রাজনীতিবিমুখ হয়ে পড়ছে।

About Dhakar News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

বাঁশখালী কাণ্ডে শ্রমিক মৃত্যু, প্রতিবাদে শ্রমিক দলের মানববন্ধন

ঢাকার নিউজ ডেস্কঃবাঁশখালী গন্ডামারা কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে শ্রমিকদের উপর ‘নির্বিচারে গুলি’ করে ৭ (সাত) জন ...

বাঁশখালীতে শ্রমিকদের ওপর ‘গুলি বর্ষণকারী’ পুলিশের বিচার চায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন

ঢাকার নিউজ ডেস্কঃচট্টগ্রামের বাঁশখালীতে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গত ১৭ এপ্রিলের পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষের ঘটনার পেছনে ...

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে চলছে কঠোর ‘লকডাউন’

এম উজ্জ্বল, নালিতাবাড়ীঃ দেশে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে কঠোর বিধিনিষেধ ‘সর্বাত্মক ...

সর্বাত্মক লকডাউনে বন্ধ পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরি পারাপার

ঢাকার নিউজ ডেস্কঃ সর্বাত্মক লকডাউন বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে সাধারণ যানবাহন পারাপার বন্ধ করে ...

‘নদী বাঁচাও নালিতাবাড়ী বাঁচাও’ দাবীতে মানব বন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

এম উজ্জ্বল, নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি :‘নালিতাবাড়ীর সূধী সমাজ’ এর উদ্যোগে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা পরিষদের সামনে ...