Home 20 পশ্চিমবঙ্গ 20 ‘রিফিউজি’ থেকে ভারতীয় হয়ে ওঠার ৭০ বছর

‘রিফিউজি’ থেকে ভারতীয় হয়ে ওঠার ৭০ বছর

ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, ভারতের স্বাধীনতা আর ভারত ভেঙ্গে যাওয়া।আগামী মঙ্গলবার কোটি কোটি ভারতীয় উদযাপন করবে তাদের স্বাধীনতা দিবস। এজন্য রাষ্ট্রজুড়ে চলছে মহা আয়োজন।ভারত আর পাকিস্তানের বহু মানুষের কাছে যেমন এটা আনন্দের, উদযাপনের। তেমনি আরও লক্ষ লক্ষ বাঙালি আর পাঞ্জাবিদের কাছে নিজেদের ভিটেমাটি ছেড়ে নতুন দেশে পাড়ি দেয়ারও ৭০ বছর এটা।ভারত ভাগের পরের প্রথম নয় বছরেই পূর্ববঙ্গ থেকে ভারতে চলে যান ২১ লাখেরও বেশি মানুষ।গত সাত দশকে সেই সব উদ্বাস্তুদের অনেকের দীর্ঘ জীবনসংগ্রাম শেষ হলেও ছেড়ে যাওয়া দেশের কথা এখনও মনে পড়ে তাদের।তবে উদ্বাস্তু পরিবারগুলোর পরবর্তী প্রজন্ম এই সাত দশকে হয়ে উঠেছে পুরোপুরি ভারতীয়।বদলেছে যেমন তাদের মুখের ভাষা, তেমনি পাল্টেছে তাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক জীবনযাত্রাও।পাকিস্তান ও ভারত স্বাধীন হওয়ার ঠিক দুদিন পরে র‍্যাডক্লিফ লাইন টেনে উপমহাদেশের মানচিত্র পাল্টে দেয়া হয়েছিল।এতে একদিকে যেমন কোটি কোটি মানুষ নিজের দেশ পেয়ে আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে উঠেছিলেন, অন্যদিকে কয়েক লাখ মানুষকে হারাতে হয়েছিল নিজের দেশ, নিজের ভিটেমাটি।এ বছর ভারতের কোটি কোটি মানুষ সেই স্বাধীনতার ৭০ বছরের উৎসব পালন করছে, তাতে শামিল হয়েও কয়েক লাখ পরিবার দেশ ছাড়ার ও ছিন্নমূল হওয়ার কথাও স্মরণ করছে।এতগুলো বছর পেরিয়ে পূর্ববঙ্গ বা তারপরে পূর্ব পাকিস্তানের নিজেদের ভিটেমাটি ছেড়ে ভারতে গিয়েছিলেন যেসব হিন্দু পরিবার, তারা এখন পুরোপুরি ভারতীয়ই হয়ে গেছেন।কিন্তু প্রথম প্রজন্মের উদ্বাস্তুদের অনেকেরই এখনও ছবির মতো মনে রয়ে গেছে ছেড়ে আসা দেশের কথা, ভিটের কথা।দেশ ছেড়ে ভারতে যাওয়া এক বৃদ্ধা বলছিলেন, অহনও রাত্রে স্বপ্ন দ্যাহি দ্যাশের বাড়ির। নদীরে তো দ্যাশে গাঙ কইত। আমরা গাঙ্গে স্নান করতে যাইতাম। কত্ত কিসু মনে পড়ে, হায় কপাল!দক্ষিণ কলকাতার বাসিন্দা, বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ফরিদপুর থেকে চলে যাওয়া উদ্বাস্তু শান্তিরঞ্জন গুহর কথায়, দেশের চার বিঘা জমিতে চারটা ঘর, দুইটা পুকুর ছিল। একটা চাইর পাড় বান্ধানো। গ্রামে কারও বিয়া-শাদি হইলে ওই পুকুর থিক্যা মাছ নিয়া যাইত। আর অন্য পুকুরটা নদীর সঙ্গে জোড়া ছিল – কত্ত রকমের যে মাছ সেখানে!৭০ বছর আগে যেসময়ে সারা ভারতে চলছে স্বাধীনতা পাওয়ার আনন্দ-উদ্দীপনা, সেই সময়ে পূর্ববঙ্গের নানা জেলায় শুরু হয়েছিল অনিশ্চয়তা আর অশান্তি।
সেই সময়ের কথা বলছিলেন ময়মনসিংহের কিশোর ছাত্র। যিনি এখন কলকাতার প্রবীণ বাসিন্দা পবিত্র চক্রবর্তী।
তিনি বলেন, তখন সবে পূর্ব পাকিস্তান হয়েছে। কথাবার্তা শুনতাম নতুন দেশে বাইরে থেকে লোকজন আসবে, থাকবে। কী হবে না হবে, পড়াশোনা ঠিকমতো করা যাবে কী না, কিছুই বোঝা যাচ্ছিল না। তখনই বাবা সিদ্ধান্ত নিলেন যে মামাদের সঙ্গে আমাকে কলকাতায় পাঠিয়ে দেবেন। পরীক্ষা দিতেই এসেছিলাম প্রথমে। কিছুদিনের জন্য দেশে ফিরে গিয়েছিলাম। তারপরেই দেশ থেকে চলে আসি কলকাতায়।অশান্তির আগুন যখন ছড়িয়ে পড়ছে পূর্ববঙ্গের নানা জায়গায়, তখন চরভৈরবী বন্দরে পারিবারিক ব্যবসা ছিল নিত্যনন্দ পালের বাবা-দাদাদের। একদিন রাতে হঠাৎই তাদের ভিটে ছাড়তে হয়।তিনি বলেন, দাদারা ঘাসিনৌকা করে মরিচ বিক্রি করতে গিয়েছিল নোয়াখালির দিকে রামপুরে। সেখানেই তারা শুনতে পায় যে বাইরে থেকে আসা মুসলমানরা একজন স্থানীয় জমিদারের ভিটে আক্রমণ করেছে। তারা পালিয়ে চলে এসে বাবাকে ঘটনাটা জানায়।
তিনি আরও বলেন, রাতারাতি নৌকা ঠিক করে বন্দর ছেড়ে চলে গিয়েছিলাম বাজাপ্তিতে এক আত্মীয়র বাড়িতে। সেখান থেকে নিজেদের গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরে যখন যাচ্ছিলাম নৌকায়। গ্রামে ঢোকার মুখে দেখি কুমোরপাড়ার লোকেরা গরম জল, মরিচ নিয়ে পাহারা দিচ্ছে, যাতে আক্রমণ করলে বাধা দেয়া যায়।
স্মৃতিচারণ করে পবিত্র চক্রবর্তী বলেন, সেটা ছিল দূর্গাপূজোর ঠিক আগে। তবে আক্রমণটা হল লক্ষ্মীপূজোর দিন। বাইরে থেকে আসা কিছু মুসলমান গ্রামের সব কলাগাছ কেটে দিয়েছিল যাতে আমরা পূজো না করতে পারি। বেতবনে সবাই লুকিয়ে পড়েছিলাম আমরা। দাদারা রামদা হাতে পাহারা দিচ্ছিল।
গবেষকদের সংগৃহীত তথ্য বলছে, ভারত স্বাধীন হওয়ার পরে প্রথম নয় বছরে প্রায় একুশ লাখ মানুষ ভারতে পাড়ি জমায়।মায়ের সঙ্গে বরিশালের ছেড়ে ভারতে যান দৃষ্টিহীন কানুমতী বর্মন। শিয়ালদা স্টেশন থেকে কেউ চলে যেতেন আত্মীয়-স্বজনের বাসায়, কেউ জায়গা খুঁজতে বের হতেন কলকাতার উপকণ্ঠে জমি জবরদখল করে গড়ে ওঠা রিফিউজি কলোনিগুলিতে।এখন যেখানে দক্ষিণ কলকাতার অতি ব্যস্ত গাঙ্গুলি বাগানের বিদ্যাসাগর কলোনী এলাকা, সেখানেই মাথা গোঁজার ঠাঁই খুঁজতে গিয়েছিলেন চট্টগ্রাম থেকে যাওয়া ১৮-১৯ বছরের কিশোর তেজেন্দ্রলাল দত্ত।তার কথায়, লোকমুখে খবর পেয়েছিলাম এইদিকে নতুন নতুন কলোনী তৈরী হচ্ছে। খোঁজ করতে একদিন একাই চলে আসি। মা বলে দিয়েছিল বড় রাস্তার ধারে যেন জমি না নিই। বাচ্চারা খেলাধুলো করতে রাস্তায় চলে গেলে গাড়ি চাপা পড়বে। তাই রাস্তা থেকে কিছুটা হেঁটে ভেতরে এসে একটা জায়গা দেখেছিলাম। চারদিকে ডোবা, জলা-জঙ্গল। আমার এই বাড়ির পাশে অনেকটা ধানি জমি ছিল।তিনি বলেন, রাস্তার দিকে কয়েকটা ঘর তৈরী হয়েছিল। আমি আর দাদাও ঘর করলাম। গরাণের খুঁটি, হোগলা পাতার চাটাই দিয়ে বেড়া আর ছাউনি। মেঝে মাটির। নিজেরাই জঙ্গল কেটে সাফ করেছিলাম। তারপরে কলোনি কমিটি হল। কোথা দিয়ে রাস্তা হবে, কোন জমি কাকে দেয়া হবে, সব ঠিক হতে লাগল। এখন তো চারদিকে কংক্রিটের জঙ্গল। বোঝার উপায় নেই কী ছিল এইসব জায়গা।যাদের কোথাও যাওয়ার যায়গা নেই, সেরকম উদ্বাস্তুদের ট্রাকে করে পাঠানো হত বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরগুলিতে।সপরিবারে থাকার জন্য যেমন তৈরি হয়েছিল নদীয়ার কুপার্স ক্যাম্প বা ধুবুলিয়ার মতো বহু শিবির, তেমনই একাকী নারী আর তাদের শিশু সন্তানদের জন্য ছিল আলাদা শিবির। সরকারিভাবে তাদের চিহ্নিত করা হয়েছিল পার্মানেন্ট লায়াবিলিটি বা পি এল হিসাবে।এখনও পশ্চিমবঙ্গে রয়েছেন ৪৮১ জন পার্মানেন্ট লায়াবিলিটি। যাদের ৭০ বছর ধরেই মাসোহারা, চাল-ডাল-গম আর পরণের ধুতি বা শাড়ি দেয় সরকার।মহিলাদের জন্য হুগলী জেলায় গঙ্গার ধার ঘেঁষে এরকমই একটি পি এল শিবিরে একটা সময়ে প্রায় ১৮ হাজার নারী ও শিশু বাস করতেন।
ভগ্নপ্রায় ব্যারাক ঘরে এখনও থাকেন কানুমতী বর্মন, শোভা বৈরাগীদের মতো কয়েকজন অশীতিপর, একাকী উদ্বাস্তু নারী।দেশভাগের ফলে উদ্বাস্তু হয়ে যাওয়া মানুষদের ওপরে গবেষণা করেন অনসূয়া বসু রায়চৌধুরী।তিনি বলেন, এই যে কেউ কলকাতার উপকণ্ঠে রিফিউজি কলোনিতে থেকে গেলেন, আবার বহু মানুষকে পাঠানো হল আন্দামান, ছত্তিশগড় বা ওড়িশায় শরণার্থী শিবিরে, অন্য অনেককে শহর থেকে অনেক দূরের শিবিরে। এই ভেদাভেদের কারণ কি?
অনসূয়া বসু বলেন, সরকারি নথিতে কোথাও উল্লেখ থাকত না, কিন্তু কারা উচ্চবর্ণের মানুষ, কারা তথাকথিত নিম্নবর্গের, সেটা বোঝার একটা উপায় ছিল। সীমানা পেরনোর সময়ে একটা লগবুকে প্রত্যেক রিফিউজিকে নাম-ধামের সঙ্গেই পেশা লিখতে হত। যখনই কৃষিকাজকে পেশা হিসাবে লেখা হচ্ছে, তখনই বোঝা যেত যে তিনি নিম্নবর্গের মানুষ। সীমানা থেকে তারপরে যখন শিয়ালদা স্টেশনে মানুষ আসতেন, সেখানে তিনধরণের কার্ড দেয়া হত। একটা সাদা, একটা নীল আরেকটা সবুজ।
তিনি বলেন, সাদা কার্ড সেইসব পরিবারকে দেয়া হত, যারা উচ্চবিত্ত, পুনর্বাসনের জন্য যাদের সরকারী সাহায্য লাগবে না। আরেকদল ছিলেন, যাদের সরকার মনে করত কিছুদিন পর্যন্ত সরকারী সাহায্য প্রয়োজন। আর শেষ দলে ছিলেন কৃষকরা। এদের কোনও সহায়-সম্বল নেই। সরকারকেই পুরোপুরি পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এদের মধ্যে সহায়হীন একাকী নারীদের মতো অনেককে পার্মানেন্ট লায়াবিলিটি বলা হল। আর আরেক ধরণের শিবির করা হল ওয়ার্ক-সাইট ক্যাম্প। সেখানে কর্মঠ পুরুষ আছেন, এমন পরিবারগুলোকে পাঠানো হতে থাকল যাতে তাদের দিয়ে কায়িক পরিশ্রমের বদলে সরকার টাকা দেবে। দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশনের নানা বাঁধ, জলাধার, কলকাতার বাগজোলা খাল এসব ওইভাবে তৈরী হয়েছে।
চট্টগ্রাম থেকে যাওয়া কিশোর তেজেন্দ্রলাল দত্ত যখন এই কলোনীতে আসেন, চারদিকে বন-জঙ্গল, ডোবা আর কিছু ধানি জমি। রিফিউজি কলোনী বা শরণার্থী শিবিরগুলির পত্তনের পরে কেটে গেছে অনেকগুলো দশক। একসময়ের হোগলা বন আর জলাজঙ্গলে ভরা কলোনীগুলো এখন দেখলে বোঝার উপায় নেই যে একসময়ে কী ছিল জায়গাগুলো।নতুন দেশে গিয়ে কিভাবে মিশে গিয়েছিলেন পূর্ব বঙ্গের উদ্বাস্তুরা, সেই প্রক্রিয়ার সাক্ষী থেকেছেন দক্ষিণ কলকাতার বিবেকনগর কলোনী এলাকার বাসিন্দা, দ্বিতীয় প্রজন্মের বাঙালী মোহিত রায়।তিনি বলেন, আমরা যে ভারতেরই অংশ, সেটা প্রমাণ করার জন্য স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্র দিবস এগুলো খুব ঘটা করে পালন করা হত আমাদের ছোটবেলায়। প্রভাতফেরী হত, প্রতিটা কলোনিতে স্বাধীনতা সংগ্রামের শহীদদের স্মৃতিতে বেদী তৈরী হত। আরেকটা ফ্যাক্টর কাজ করেছে এই নতুন সমাজে মিশে যাওয়ার পেছনে। সেটা হল পড়াশোনা। প্রতিটা কলোনীতে দেখবেন অন্তত দুটো স্কুল ছিল। আমাদের তো পড়াশোনা করা ছাড়া জীবন সংগ্রামে জেতার অন্য কোনও উপায় ছিল না!
মোহিত রায় বলেন, তাই কলোনিগুলোর ১০০ শতাংশ মানুষই কিন্তু শিক্ষিত। সেটা দিয়ে আমরা কাজকর্ম করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি, তাই এখন আমরা এলকার নাম থেকে কলোনী শব্দটা বাদ দিয়ে দিয়েছি। এখন যেন এটা কলকাতার অন্যান্য অঞ্চলের মতোই একটা জায়গা।”
যেহেতু অনেক চেষ্টা করে লড়াই করে, ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ সহ্য করে তাদের নিজেদের ভারতীয় হয়ে উঠতে হয়েছে, তাই উদ্বাস্তুদের বর্তমান প্রজন্ম আর বিশেষ আলোচনা করে না দেশভাগ, বা মনে করতে চায় না ছিন্নমূল হয়ে ভারতে যাওয়ার পরে তাদের পূর্বপুরুষদের লড়াইয়ের কথা।
দ্বিতীয় প্রজন্মের উদ্বাস্তু সুদীপ্ত সেন রায় বলেন, অতীতের সঙ্গে কোনও নাড়ির টান বোধহয় আমাদের বয়সীরা কেউই আর অনুভব করি না। অন্য দেশে ঘুরতে যাওয়ারই মতো বাবা-কাকাদের ফেলে আসা দেশেও এমনিই ঘুরতে যাওয়া যেতে পারে, কোনও স্মৃতি রোমন্থনের জন্য বোধহয় নয়।
সেইরকমই হুগলীর বাঁশবেড়িয়ায় পুনর্বাসন পাওয়া উদ্বাস্তু পরিবারের যুবক দিলীপ দে বা বিকাশ সাহাদের মতো নতুন প্রজন্মের উদ্বাস্তুদের অনেকেরই সাধ জাগে পূর্ব পুরুষের ফেলে যাওয়া দেশটা একবার দেখে আসার।
তবে স্বন্দীপের যে পাড়া ছেড়ে কম বয়সে কলকাতায় চলে গিয়েছিলেন চিত্তরঞ্জন কলোনীর বাসিন্দা সুনীতি নন্দী, সেখানে একবার ফিরে গিয়েছিলেন প্রথম সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরে।
সূত্র: বিবিসি।

About Dhakar News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

বিশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন শুরু এপ্রিলে

ঢাকার নিউজ ডেস্কঃএপ্রিল মাসের ১ তারিখ থেকে গুচ্ছভুক্ত ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে বিশটি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও ...

বাকপ্রতিবন্ধী নারীকে বাস থেকে ছুড়ে ফেলল হেলপার

ঢাকার নিউজ ডেস্কঃ ফের ভয়াবহ মানবিক বিকৃতির উদাহরণ দেখল বাংলাদেশ। নারী দিবসের কয়েকঘন্টা আগেই রাজধানীর ...

বিদেশ যেতে পারবেন না খালেদা জিয়া

ঢাকার নিউজ ডেস্কঃবিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা আরও ছয়মাসের জন্য স্থগিত করার সুপারিশ করেছে আইন ...

মুজিব আদর্শের সৈনিকেরা রাজপথ ভয় পায় না – ওবায়দুল কাদের

সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঢাকার নিউজ ডেস্কঃ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তথা সড়ক পরিবহন ...

‘এ দেশে অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়াটাই অন্যায়!’ ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার আলম

নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট করেন ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার আলম। দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের জন্য দেশব্যাপী আলোচিত ...